শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

নেবুলাইজার ব্যবহার করলে রোজা হবে?

খবরটিভি ডেস্কঃ

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

শ্বাসকষ্টে ভোগেন শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। শ্বাসকষ্ট কমাতে অন্য ওষুধের পাশাপাশি অনেকেই ইনহেলার ও নেবুলাইজার নেন। নেবুলাইজারের মাধ্যমে মূলত শ্বাষকষ্ট দূরীকরণের ওষুধ তরল বা বাষ্প আকারে ভেতরে প্রবেশ করানো হয়ে থাকে। রোজা রাখা অবস্থায় খাদ্যনালীতে বাহির থেকে নিরেট বাতাস ছাড়া কিছু প্রবেশ করলেই রোজা ভঙ্গ হয়ে যায়। সেই হিসেবে নেবুলাইজার ব্যবহারের কারণে রোজা ভেঙে যাবে এবং পরবর্তীতে কাজা আদায় করতে হবে।আর যদি রোগী এতোটা অক্ষম হন যে তার পক্ষে রোজা রাখা সম্ভব নয়, তাহলে প্রতিটি রোজার জন্য একটি করে ফিদিয়া আদায় করতে হবে। 

প্রত্যেক রোজার ফিদইয়া হলো সদকাতুল ফিতরের সমপরিমাণ। অর্থাৎ, ১.৫ কেজি ৭৪ গ্রাম ৬৪০ মি.গ্রা. বা তার সমপরিমাণ অর্থ দেওয়া যেতে পারে।  একজন গরিবকে প্রতিদিন ১ ফিতরা পরিমাণ করে ৬০ দিন দিলেও আদায় হবে। ৬০ দিনের ফিতরা পরিমাণ একত্রে বা এক দিনে দিলে আদায় হবে না।

রোজা রেখে ইনহেলার ব্যবহারের বিধান

শ্বাস কষ্টের রোগীদের অনেকে ইনহেলারও ব্যবহার করেন। ইনহেলার ব্যবহারের মাধ্যমে বিশেষ পদ্ধতিতে মুখের ভেতরভাগে স্প্রে করতে হয়। এতে শ্বাসরুদ্ধ জায়গাটি প্রশস্ত হয়ে যায়। ফলে শ্বাস চলাচলের কষ্ট দূর হয়। যদিও স্প্রে করার সময় ওষুধটি গ্যাসের মতো দেখায়, কিন্তু বাস্তবিক পক্ষে এটি দেহবিশিষ্ট তরল ওষুধ। তাই মুখের ভেতরে স্প্রে করার কারণে রোজা ভেঙে যাবে।

তাই রোজা অবস্থায় কেউ ইনহেলার ব্যবহার করে থাকলে, পরে রোজার কাজা আদায় করে দিতে হবে।

Share with friend